অনাদি কাল হতে

অনেক ছিল বলার

অরুণকান্তি কে গো যোগী ভিখারী

অঞ্জলি লহ মোর সংগীতে

আজো কাঁদে কাননে কোয়েলিয়া

আন্‌মনে জল নিতে

আমার আপনার চেয়ে

আমার কালো মেয়ের

আমার কোন কুলে আজ

আমার গহীন জলের নদী

আমার গানের মালা

আমার নয়নে নয়ন রাখি

আমার মা ত্বং হি তারা

আমার হাতে কালি

আমি চিরতরে দূরে চলে যাব

আমি যার নূপুরের ছন্দ

আমি পথ-মঞ্জরী

আমি যদি আরব হতাম

আমায় নহে গো

এ কুল ভাঙ্গে ও কুল গড়ে

এ কোন মধুর শরাব

এস প্রিয় আরো কাছে

এস হে সজল

ও মন রমজানের ঐ

ওই ঘর ভুলানো সুরে

ওগো প্রিয় তব গান

কত যুগ যেন দেখিনি তোমারে

কাবার জিয়ারতে তুমি

কারার ঐ লৌহ-কপাট

কেন আনো ফুলডোর

কেন আসিলে ভালোবাসিলে

খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে

গঙ্গা সিন্ধু নর্মদা

গভীর নিশীথে ঘুম ভেঙ্গে যায়

গভীর রাতে জাগি

গানগুলি মোর আহত পাখির সম

গুল-বাগিচার বুলবুলি

গুঞ্জা-মালা গলে

গোঠের রাখাল বলে দে রে

ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে

চম্‌কে চম্‌কে ধীর ভীরু পায়

চাঁদ হেরিছে চাঁদমুখ তার

জনম জনম গেল

তিলক দিলে কি শ্যাম

তুমি আমার সকালবেলার সুর

তুমি সুন্দর তাই

তোমারি আঁখির মত

তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয়

তোরা সব জয়ধ্বনি কর

দূর দ্বীপবাসিনী

নয়ন ভরা জল

নিশি ভোর হল জাগিয়া

নীলাম্বরী সাড়ি পরি

নূরজাহান

পথহারা পাখি

পরদেশী মেঘ

পাষাণের ভাঙালে ঘুম

পদ্মার ঢেউ রে

ফিরিয়া যদি সে আসে

ফুলের জলসায়

বন-কুন্তল এলায়ে

বল রে জবা বল

বল প্রিয়তম বল

বসিয়া বিজনে

বাগিচায় বুলবুলি তুই

বিদায় সন্ধ্যা আসিল ওই

বুল্‌বুলি নীরব নার্গিস বনে

ব্রজগোপী খেলে হোরী

ভরিয়া পরাণ শুনিতেছি গান

ভুলি কেমনে

ভুলিতে পারিনে তাই

ভোরের হাওয়ায় এলে

মধুকর মঞ্জীর বাজে

মন বলে তুমি আছ ভগবান

মনে পড়ে আজ

মসজিদেরই পাশে আমার

মহাকালের কোলে এসে

মাগো চিন্ময়ী রূপ ধরে

মোমতাজ মোমতাজ

মোমের পুতুল মমীর দেশের মেয়ে

মোর ঘুমঘোরে এলে মনোহর

মোর প্রিয়া হবে

মোরা আর জনমে

যাও যাও তুমি ফিরে

যারে হাত দিয়ে মালা

যেদিন লব বিদায়

রঙ্গীলা আপনি রাধা

লায়লী তোমার এসেছে ফিরিয়া

শ্মশানে জাগিছে শ্যামা

শাওন আসিল ফিরে

শাওন রাতে যদি

শুকনো পাতার নূপুর পায়ে

শূণ্য এ বুকে

সখি বলো বঁধুয়ারে

সতী হারা উদাসী ভৈরব

সন্ধ্যা গধূলি লগনে

সাজিয়াছ যোগী

সেদিন ছিল কি গোধূলি-লগন

সৃজন ছন্দে আনন্দে

সুরে ও বাণীর

হারানো হিয়ার নিকুঞ্জ পথে